লেখকগণ (Authors)

আমাদের সকল লেখক ও তাদের সাহিত্যকর্ম ব্রাউজ করুন।

অমর মিত্র
অমর মিত্র

1টি লেখা

অমর মিত্র বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক। তাঁর সাহিত্যচর্চার প্রধান ক্ষেত্র ছোটগল্প ও উপন্যাস। দীর্ঘ সাহিত্যজীবনে তিনি বাংলা কথাসাহিত্যে নিজস্ব একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন। তাঁর লেখায় সাধারণ মানুষের জীবন, গ্রামীণ সমাজ, প্রকৃতি, ইতিহাস, লোকজ সংস্কৃতি এবং মানুষের অন্তর্গত অনুভূতির সূক্ষ্ম ও গভীর প্রকাশ লক্ষ করা যায়। অমর মিত্রের গল্পের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো তাঁর সহজ অথচ গভীর ভাষাশৈলী। তিনি অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে মানুষের সুখ-দুঃখ, আশা-নিরাশা, সংগ্রাম, সম্পর্ক ও অস্তিত্বের নানা প্রশ্নকে সাহিত্যে তুলে ধরেছেন। তাঁর রচনায় একদিকে যেমন বাংলার মাটি ও মানুষের ঘনিষ্ঠ পরিচয় পাওয়া যায়, অন্যদিকে তেমনই সমকালীন সমাজ ও মানবজীবনের জটিল বাস্তবতাও প্রতিফলিত হয়েছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাগুলির মধ্যে ‘ধ্রুবপুত্র’, ‘অশ্বচরিত’, ‘ফেরাউনের পালা’, ‘বিবি সাহেবা’ প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে ইতিহাস, পুরাণ, লোকবিশ্বাস ও সমকালীন জীবনের নানা উপাদান সৃজনশীলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। অমর মিত্রের সাহিত্যকৃতির অন্যতম উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি হলো তাঁর ‘গান্ধর্বী’ গল্পের জন্য সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ। তাঁর সৃষ্টিশীল সাহিত্য বাংলা কথাসাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে এবং পাঠকের কাছে মানুষের জীবন ও সমাজকে নতুন দৃষ্টিতে দেখার সুযোগ করে দিয়েছে।

অমিয় কুমার দাস
অমিয় কুমার দাস

0টি লেখা

আমি অমিয় কুমার দাস বাংলা ভাষায় গল্প লিখতে আগ্রহী একজন নবীন লেখক। লোককথা, হরর, রহস্য, পরিবেশনির্ভর কাহিনি এবং অলৌকিক লেখার প্রধান আগ্রহের ক্ষেত্র। বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা, বাংলার লোকবিশ্বাস এবং গ্রামীণ সংস্কৃতির উপাদানকে আধুনিক গল্প বলার ভঙ্গির সঙ্গে মিলিয়ে পাঠকের মনে দীর্ঘস্থায়ী আবহ তৈরি করার চেষ্টা করি। ‘দিকভুলানি’ আমার একটি মৌলিক লোকজ হরর গল্প, যেখানে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও আঞ্চলিক কিংবদন্তিকে কেন্দ্র করে ভয়ের এক অনন্য অভিজ্ঞতা নির্মাণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও বাংলা সাহিত্যে মৌলিক গল্প ও উপন্যাস রচনার মাধ্যমে নিয়মিত লেখালেখি চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।

ওয়াহিদা খন্দকার
ওয়াহিদা খন্দকার

1টি লেখা

শূন্য দশকের স্বরিক বিবর্তনের উল্লেখযোগ্য নাম কবি ওয়াহিদা খন্দকার। শাব্দিক যাপনে কথনের গভীরতর সুর উঠে আসে তাঁর লেখায়। তাই কাব্যের মায়াবীনামায় জায়গা করে নেয় উপন্যাসের ডালপালা। তারই হাত ধরে তাঁর প্রথম উপন্যাস - 'ময়না বিবির নাও' (২০২৩)। অনেক পুরস্কার লাভ করা এই উপন্যাস বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে জায়গা করে নেবার পাশাপাশি বেস্টসেলার হিসেবে নিজের জায়গা করে নিয়েছে। তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস 'উড়ো জোনাকির গান' ও পাঠক সমাদৃত। উত্তরবঙ্গে জন্ম এবং বেড়ে ওঠা এই লেখিকা বাংলা সাহিত্যের ছাত্রী। দক্ষিণবঙ্গে কর্মসূত্রে থাকা, পেশায় শিক্ষিকা। বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিন ও বানিজ্যিক পত্রিকায় নিয়মিত লেখেন। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'নীরব দশমিকের ভিড় (২০১৮), 'বিবর্ণ শ্লেটের সমীকরণ' (২০১৯)। কোলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় প্রকাশিতব্য কাব্যগ্রন্থ 'পৃষ্ঠা পেরিয়ে' (২০২৩) তিনি ২০১৯ সালে 'নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী স্মৃতি পুরস্কার' এবং ২০২০ সালে 'সমর চক্রবর্তী স্মারক সম্মান' লাভ করেন। ভালোবাসেন বই ও মানুষ।

জসিম আহমেদ
জসিম আহমেদ

0টি লেখা

লেখক জসিম আহমেদ পেশায় আসামের করিমগঞ্জ (শ্রীভূমি) সরকারি উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর এবং পরবর্তীতে আইন বিষয়েও স্নাতক লেখক জসিম আহমেদের প্রথম গল্পগ্রন্থ 'স্বপ্নের বয়স তিন বছর' (উত্তরসূরি প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত) অনেক বিদ্ধজ্জনের প্রশংসা কুড়িয়েছে। ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র হয়েও বাংলা সাহিত্যর প্রতি তার অগাধ নিষ্ঠা ও ভালোবাসা। গল্প এবং উপন্যাস তার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। ২০২৪ সনে বরাক উপত্যকা বঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন আয়োজিত বাংলা ছোটোগল্প প্রতিযোগিতায় তার লেখা 'ভাড়াটে' গল্পটি বিশেষ পুরস্কার লাভ করেছিল।

ড. ইপ্সিতা দেব
ড. ইপ্সিতা দেব

1টি লেখা

ড.ইপ্সিতা দেব জন্ম ২৬ এপ্রিল ১৯৯৮ সালে ।জন্মসূত্রে আসামের বদরপুর অঞ্চলের বাসিন্দা।  তিনি বদরপুর মহর্ষি সন্দীপন বিদ্যাপীঠ থেকে মাধ্যমিক এবং প্যারাগন ঘনিষ্ঠ মহাবিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক উত্তীর্ণ হন নবীনচন্দ্র কলেজ বদরপুর থেকে স্নাতক এবং পরবর্তীতে উচ্চ শিক্ষা তিনি অর্জন করেন আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে। বাংলায় মাস্টার ডিগ্রী প্রাপ্তির পর একই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে নারী মনস্তাত্ত্বিক বিষয়ে পিএইচডি গবেষণা সুসম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সাময়িকীতে প্রতিনিয়তই লেখা প্রকাশিত হয় । কবিতা লেখার পাশাপাশি সাহিত্যের আঙিনায় আরো অন্য ধরনের লেখালেখির চর্চা ও করে থাকেন । সদ্য প্রকাশিত তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'দক্ষিণের বারান্দা'।  এছাড়াও 'স্পন্দন' নামক একটি পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে নিজের সম্পাদনার যাত্রা শুরু করেন, তাছাড়া 'নারী: প্রবন্ধ দ্বাদশ' বলে একটি সম্পাদিত প্রবন্ধের বই রয়েছে। তাছাড়াও কোলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় উনার কবিতা প্রকাশিত হয়েছে এবং আরো বিভিন্ন ম্যাগাজিনে পত্রপত্রিকায় প্রতিনিয়তই লিখে যাচ্ছেন। পরবর্তীতে উপন্যাস নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

তপোধীর ভট্টাচার্য
তপোধীর ভট্টাচার্য

4টি লেখা

অধ্যাপক তপোধীর ভট্টাচার্য (জন্ম: ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৯, শিলচর) একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি, সাহিত্যতাত্ত্বিক, সাহিত্য-সমালোচক, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ। তিনি বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় সাহিত্য, সাহিত্যতত্ত্ব, তুলনামূলক সাহিত্য ও নন্দনতত্ত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা ও লেখালেখি করেছেন। তাঁর ছদ্মনাম ‘ভাস্করানন্দ শর্মা’। তিনি গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয় ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচ.ডি. ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর কর্মজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় জুড়ে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাদান ও গবেষণা। তিনি আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন এবং ২০০৭ সালের মার্চ থেকে ২০১২ সালের জুন পর্যন্ত আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সাহিত্যতত্ত্ব, সমকালীন সাহিত্য, তুলনামূলক সাহিত্য ও নন্দনতত্ত্ব তাঁর লেখালেখির উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্র। কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ, সাহিত্য-সমালোচনা, ভ্রমণসাহিত্য ও জীবনীসহ বিভিন্ন ধারায় তাঁর বহু গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে পশ্চিমের জানালা, বাখতিন এবং সময় অসময় নিঃসময় প্রভৃতি রয়েছে। বাংলা সাহিত্য ও সাহিত্যতত্ত্বের পাশাপাশি অসমের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়েও তাঁর উল্লেখযোগ্য আগ্রহ ও কাজ রয়েছে। তিনি ‘দ্বিরালাপ’-সহ সাহিত্যপত্র সম্পাদনার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন।

লিটন দত্ত
লিটন দত্ত

1টি লেখা

জন্ম ১৯৭৭, মুর্শিদাবাদ জেলার লালবাগে। ১৯৯৪ সালে লালবাগ সিংঘী হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক, ২০০২ সালে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এম. এ. পাশ। লালবাগ কুতুবপুর নব আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০০৪ সালে ডেপুটেড ভ্যাকান্সিতে বাংলা শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবনের শুরু। ঐ বছরই যোগদান করেন সুভাষচন্দ্র বোস সেন্টেনারি কলেজে আংশিক সময়ের অধ্যাপক পদে। ২০০৭ সালে মালদহের মানিকোড়া উচ্চবিদ্যালয়ে স্থায়ী সহকারী শিক্ষকপদে যোগদান। ২০১২ সালে মুর্শিদাবাদ জেলার নওদা ব্লকের আমতলা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে যোগ দেন। বর্তমানে বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজ স্কুলে কর্মরত। শিক্ষকতার পাশাপাশি সাহিত্যপাঠ, সাহিত্যচর্চা করে চলেছেন। দু'চারটি পত্র-পত্রিকায় লেখকের কবিতা, গল্প, প্রবন্ধাদি স্থান পেয়েছে। ২০১০ সালে প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ প্রকাশ- 'বাংলা সাহিত্যের পাঠশালা'। এ ছাড়াও 'বাংলা ব্যাকরণের পাঠশালা' (২০২২), 'বাংলা ব্যাকরণ অনুশীলন' (২০২৪), কাব্যগ্রন্থ- 'নব বর্ণপরিচয়' (২০২৫) এবং 'হৃদয়ের বর্ণমালা' (২০২৬) প্রকাশিত হয়েছে।

শ্রীবরুণ
শ্রীবরুণ

1টি লেখা

ড. বরুণ কুমার সাহা গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের স্বনামধন্য অধ্যাপক। শিশুদের জন্য বেশ কিছু বিখ্যাত ছড়া লিখেছেন। তার অণুগল্পগ্রন্থ- তালাচাবি ও অন্যান্য অণুগল্প। তাছাড়া লেখকের অন্যান্য যে সব গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে- মরিয়ম আস্টিন অথবা হিরা বরুয়া (অনূদিত গ্রন্থ, প্রকাশক: সাহিত্য অকাদেমি), অশ্বডিম্ব (ছড়া সংকলন, প্রকাশক: বাংলা সাহিত্য সভা, অসম), হিতোপদেশ (অনূদিত গ্রন্থ, প্রকাশক: অসম প্রকাশন পরিষদ, অসম সরকার), চিরকালের সেরা বাংলা পদ্যে ভরা (সম্পাদিত ছড়া সংকলন, প্রকাশক: বাংলা সাহিত্য সভা, অসম), আধুনিক অসমিয়া কবিতার বাংলা অনুবাদ (সম্পাদিত, প্রকাশক: ভা.স.উ.প, অসম সরকার)।

সুদীপ ভট্টাচার্য
সুদীপ ভট্টাচার্য

1টি লেখা

কবি সুদীপ ভট্টাচার্যের জন্ম আসামের অধূনা নামাঙ্কিত শ্রীভূমি শহরে। পেশায় শিক্ষক কবির ছোটোবেলা থেকেই কবিতা পাঠ ও সঙ্গীতের প্রতি গভীর অনুরাগ। পরবর্তীতে কয়েকজন কবিতা প্রেমী বন্ধু ও লেখকদের সাহচর্যে কবিতা লেখায় হাতেখড়ি। করোনা কালীন পরিস্থিতি কবির লেখাকে আরো নিয়মিত করে তোলে এবং তন্মধ্যে কয়েকটি সাহিত্য আড্ডার সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ তার লেখার ব্যাপ্তিকে আরো বাড়িয়ে তোলে যার মধ্যে রবিবারের সাহিত্য আড্ডা', ''পাঞ্চজন্য সাহিত্য আড্ডা' ও 'দৃঢ় বন্ধন' ই-পত্রিকা অন্যতম। কবির লেখা কবিতা বরাক ও ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন পত্র পত্রিকা ও লিটল ম্যাগাজিনে স্থান পেয়েছে ।অন্ধকারের অন্তরালে আলোর সন্ধান ও নাগরিক জীবনে শিকড়ের টান তার কবিতার মূল উপজীব্য বিষয়।তাছাড়াও আরো নানা স্বাদের কবিতা তার লেখাকে সমৃদ্ধ করেছে।