ঠাম্মার খাদ্য
ঠাম্মা তোমার এই ফাগুনে বয়স হবে আশি
তবু দারুণ সুস্থ তুমি নেই তো সদ্দি কাশি
মুচকি হেসে ঠাম্মা বলেন— বেশ তো শোনো তবে
পুষ্টিকর খাদ্য খেলেই সুস্থ-সবল হবে
ব্রাহ্মী শাকে বুদ্ধি বাড়ে, হেলেঞ্চা, পুঁই তাজা
কচু, মুলো, ঢেকি, মেথি পাও ঋতুতে যা যা
তাই তো শাকের বাগান করি ঝরাই মাথার ঘাম
কলমি, পোস্ত, সজনে পাতায় অনেক ক্যালসিয়াম
বাদাম, আলু, কুমড়ো, পটল, শিম, ঝিঙে ও ভেন্ডি
ছোলায় প্রোটিন, মাশরুমেতে প্রচুর ভিটামিন ডি
দৃষ্টিশক্তি করতে ভালো গাজর, পালং খাই
কচু, মোচা, কুলেখাড়ায় আয়রনটা পাই
নিম, উচ্ছে তেতো তবে ভীষণ সে-সব গুণি
পেটের পক্ষে মহৌষধি পুদিনা, থানকুনি
গাছের থেকে পেড়ে খেয়ো কাচা-পাকা পেঁপে
আজে বাজে খাবার খেয়ে পেট যদি যায় ফেঁপে
রোগ প্রতিরোধ অনেক গুণই আছে ওল-কপিতে
তপ্ত ভাতে বেগুন পোড়া একটু তেলের ছিটে
মটর-শশা-বিট-টোম্যাটো-গাজর— স্যালাড খাই
আমলকী ও লেবুর রসে সি ভিটামিন পাই
মিষ্টি আলু, মুগ যতসব প্রায়ই খেয়ে থাকি
আজ অবধি বুঝলাম না কোষ্ঠকাঠিন্য কী।
বাতলে দিলাম সুস্থ থাকার সূত্র, বচন, মন্ত্র
এসব খেয়ে যত্নে রাখো আপন পাচনতন্ত্র
0 Comments
No comments yet. Be the first to share your thoughts!