মুমুর্ষ স্বপ্নভ্রুণ
চরাচর জুড়ে স্বপ্নখেকো ঝড়,
সেপটিপিনে গেঁথে রাখা কথাদের গায়ে
জমেছে কালের জং,
আজ বহুদিন পর মিথ্যে মিথ্যেই ইচ্ছে জড়ো করে...
হলুদ খামে ভরে পাঠাবার বড্ড সখ হলো
ডাকটিকিটে দুফোঁটা অশ্রু সেটে খুঁজে চলছি ঠিকানা,
কোথায় পাঠাবো? কেন পাঠাবো?
প্রশ্নগুলো উপচে পড়ছে ফেনা ওঠা ভাতে হাঁড়ির থেকে যেন!
লালচে মেঘেরা আজকাল অভিমানী জড়ির শাড়ি গায়ে জড়ায় না,
তাই গোধুলীর কবি কবিতা লিখতে ভুলে যায়,
খোলা জানালাটা তাই অপেক্ষায় থেকে যায়,
আপনভোলা মেয়েটা বসে থাকে না আর নিজেকে ভুলে,
কার্নিশে বেড়ে ওঠা অপত্যস্নেহের মানিপ্ল্যান্ট চেয়ে থাকে হা করে,
মেয়েটা তার মায়াবী হাত ডুবায় না ওর সবুজ গাত্রে।
এমনি করে পাখি ঘরে ফেরে,গাভীর পায়ের ধুলোয় আকাশ ধুসর হয়,
মঞ্চে প্রদীপ জ্বলে,দরজায় কারো প্রতিক্ষার চোখ,
দূর মন্দিরে ঘন্টা নিনাদ,মন্ত্রপাঠ, ধূপের ধোঁয়া...
সবটা ছাপিয়ে শূন্যতার মেঘলা চাদর ঢেকে দেয় সূর্যকে।
আজ তবু কেন জানি মনে হয়...কিছু একটা হারিয়ে গেছে,
গর্ভিনী চোখে স্বপ্নের ভ্রুণ থমকে আছে
প্রাগৈতিহাসিক কাল ধরে।।
0 Comments
No comments yet. Be the first to share your thoughts!